৫০০০ টাকার বেশি অর্ডার করলেই ফ্রি ডেলিভারি।
English
You can use WPML or Polylang and their language switchers in this area.
0 $0.00

Cart

No products in the cart.

মস্তিষ্কের সুস্থতার জন্য যে ১০টি খাবার প্রয়োজন

মস্তিষ্কের সুস্থতার জন্য খাবার

আমরা সবাই জানি মস্তিষ্কের সুস্থতার জন্য খাবার প্রয়োজন। আমরা প্রতিনিয়ত যে খাবার খেয়ে থাকি, তা শুধু আমাদের শরীরের জন্য নয়, মস্তিষ্কের জন্যও। আমরা যা খাই, তা আমাদের মস্তিষ্কের উপর খুব বেশি প্রভাব ফেলে। যেহেতু আমাদের মস্তিষ্ক আমাদের পুরো শরীরকে নিয়ন্ত্রণ করে, তাই এর সুস্থতা রক্ষা করা আমাদের কর্তব্য।

আমাদের মস্তিষ্ক আমাদের শরীরের ক্যালোরির ২০% ব্যবহার করে থাকে।  মস্তিষ্কের সুস্থতার জন্য কিছু বিশেষ নিউট্রিয়েন্টসের প্রয়োজন হয়, যেমন ওমেগা-৩। মস্তিষ্কের সুস্থতার জন্য আমাদের কোন কোন খাবারের প্রয়োজন চলুন জেনে নেয়া যাক:

মস্তিষ্কের সুস্থতার জন্য খাবারে যে-সব নিউট্রিয়েন্টসের উপস্থিতি আবশ্যক, সেগুলো হলো-

  • ওমেগা-৩
  • ভিটামিন বি
  • লিউটেইন
  • ভিটামিন ই
  • এন্টি-অক্সিডেন্ট যেমন ফ্লাভোনয়েড, ইত্যাদি।

মস্তিষ্কের সুস্থতার জন্য খাবার

কার্যকারিতার দিক থেকে মস্তিস্ক বা ব্রেন আমাদের বৃহত্তম অঙ্গ। কারণ, এই ব্রেনই আমাদের পুরো শরীর পরিচালিত করে। মস্তিস্ক আমাদের স্মৃতির ভান্ডার। স্মৃতিশক্তি বাড়ানোর বেশ কিছু বৈজ্ঞানিক উপায় আছে। সেই সাথে প্রয়োজন আছে সচেতনতার, বিশেষ করে মস্তিস্কের সুস্থ্যতা রক্ষা করার। তাই, নিচের খাবারগুলো খাওয়ার অভ্যেশ করুন, মস্তিস্ক সুস্থ্য রাখুন।

মস্তিষ্কের সুস্থতার জন্য খাবার

১. বাদাম মস্তিস্কের কোষ বৃদ্ধি করে

মস্তিষ্কের সুস্থতার জন্য প্রয়োজনীয় খাবারগুলোর মধ্যে অন্যতম হচ্ছে বাদাম। কারণ, বাদামে আছে প্রোটিন, ভিটামিন ই এবং ওমেগা-৩। বাদাম মানুষের স্মৃতিশক্তি বৃদ্ধিতে সাহায্য করে। গবেষণায় দেখা গেছে যে, বাদাম মানুষের মস্তিষ্ক কোষের বৃদ্ধি ঘটায়, মানুষের মনোযোগ স্থাপন ক্ষমতা বৃদ্ধি করে।

২. ডার্ক চকোলেট মস্তিস্কে রক্ত সঞ্চালন বাড়ায়

ডার্ক চকোলেটের মূল উপাদান হচ্ছে কোকোয়া। কোকোয়াতে রয়েছে ফ্লাভোনয়েড নামক এন্টি-অক্সিডেন্ট। এন্টি-অক্সিডেন্ট মস্তিষ্কের জন্য খুবই জরুরি। কারণ, তা মানসিক চাপ দূর করতে সাহায্য করে। ফ্লাভোনয়েড মস্তিষ্কের রক্ত সঞ্চালনার বৃদ্ধি ঘটায়, যার ফলে স্মৃতিশক্তি দৃঢ় হয়। এছাড়াও, ডার্ক চকলেটের সাতটি স্বাস্থ্য উপকারিতা রয়েছে যেগুলো জানলে আপনি নিশ্চয়ই নিয়মিত ডার্ক চকলেট খাবেন।

৩. আভোকাডো স্মৃতিশক্তি বাড়ায়

আভোকাডো শুধু খেতেই মজাদার নয় বরং খুব উপকারীও। আভোকাডোতে ফ্যাট, ফাইবার ও লিউটেইন থাকে যা আমাদের মানসিক স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী। এটি ব্লাড-প্রেসার কমাতেও সাহায্য করে। একটি গবেষণায় দেখা গেছে যে, যে লোক প্রতিদিন একটি করে আভাকাডো গ্রহন করে, তার স্মৃতিশক্তি সাধারণ মানুষের তুলনায় ভালো হয়।

৪. গ্রীন টি মস্তিস্কের রোগ প্রতিরোধ করে

মস্তিষ্কের সুস্থতার জন্য গ্রীন টি অন্যতম। এটি মস্তিষ্কের কার্যকারিতা বৃদ্ধি করে। এতে রয়েছে এল-থেয়ানিন নামক একটি অ্যামিনো অ্যাসিড যা আমাদের মুড ভালো রাখতে সাহায্য করে। তাছাড়া, গ্রীন টি’তে রয়েছে পলিফেনল এবং বিভিন্ন প্রকারের এন্টি-অক্সিডেন্ট। এই পানীয়টি মস্তিষ্কের রোগ প্রতিরোধ করে, পার্কিনসন ডিজিজ ও আলজাইমার থেকে রক্ষা করে।

৫. ব্লুবেরি ব্রেনের স্মৃতিশক্তি বৃদ্ধি করে

ব্লুবেরিকে অনেক সময় “ব্রেইনবেরি” ও বলা হয়ে থাকে। এতে রয়েছে ফ্লাভোনয়েড যা স্মৃতিশক্তি বৃদ্ধিতে সাহায্য করে। হার্ভার্ডের একটি গবেষণায় দেখা গেছে যে, যারা প্রতি সপ্তাহে ২ বা তার থেকে বেশি ব্লুবেরি বা স্ট্রবেরি খেয়ে থাকেন, তাদের বয়সের কারণে স্মৃতিশক্তি কমে যাওয়াটা ২.৫ বছর হ্রাস পায়।

৬. ডিম মস্তিস্কের গুরুত্বপূর্ণ খাবার

ডিমের মধ্যে অনেক উপাদান রয়েছে যা মস্তিষ্কের জন্য খুবই কার্যকর। যেমন-ভিটামিন বি-৬, ভিটামিন বি-১২, ফোলেট এবং কলিন। বি ভিটামিনগুলো আমাদের নার্ভাস সিস্টেমের জন্য খুবই উপকারী। শরীরে লাল রক্ত কণিকা উৎপাদনের জন্য এটি বিশেষভাবে প্রয়োজন। তাছাড়া, একটি গবেষণায় দেখা গেছে যে ভিটামিন বি’র ঘাটতির কারণে ডিপ্রেশন দেখা দিতে পারে।

৭. হলুদ আমাদের মুড ভাল রাখে

হলুদ তো আমাদের সবার ঘরেই পাওয়া যায়। একজন বাঙালির ঘরে হলুদ থাকবে না, তা কি করে হয়? বিভিন্ন প্রকার তরকারিতে আমরা হলুদ ব্যবহার করে থাকি। তবে, হলুদ যে আমাদের মস্তিষ্কের জন্য উপকারী তা হয়তো অনেকেই প্রথমবার জানলেন। হলুদের মধ্যে কারকিউমিন পাওয়া যায় যা আলজাইমার রোগীদের স্মৃতিশক্তি বৃদ্ধিতে সাহায্য করে। কারকিউমিন আমাদের শরীরে সেরোটোনিন এবং ডোপামিন লেভেলের বৃদ্ধি ঘটায়। যার কারণে আমাদের মুড ভালো থাকে। এক গবেষণায় দেখা গেছে যে এই উপাদানটি ডিপ্রেশন দূর করতে সক্ষম।

৮. ওটমিল ব্রেন স্ট্রোকের ঝুঁকি কমায়

ওজন কমাতে অনেকেই ওটস খেয়ে থাকেন। ওটমিল আমাদের শরীর ও মস্তিষ্কের জন্য খুবই উপকারী একটি খাদ্য। ওটসের মধ্যে রয়েছে বিভিন্ন ধরণের সলিউবল ফাইবার যা কোলেস্টেরল কমাতে সাহায্য করে। এর মধ্যে রয়েছে ভিটামিন-ই যা ডিমেনশিয়া ও স্ট্রোকের ঝুঁকি কমায়।

৯. ব্রোকলি ব্রেনের খাবার

ব্রোকলি নামটা নিশ্চই অনেকেই শুনেছেন। এটি একটি সবুজ রঙের সবজি। ব্রোকলিতে অনেক শক্তিশালী উপাদান রয়েছে যা আমাদের মানসিক স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী। প্রতিদিন ১ কাপ ব্রোকলি খেলেই আমরা থাকবো সম্পূর্ণ সুস্থ। ব্রকোলিতে রয়েছে ভিটামিন কে যা স্মৃতিশক্তির জন্য উপকারী।

১০. কমলা ব্রেন সেল রক্ষা করে

কমলা আমাদের অনেকেরই প্রিয় ফল। এটি খেতে যেমন মজা, তেমন এর উপকারিতাও রয়েছে প্রচুর। আমরা সবাই জানি যে ফলগুলোতে ভিটামিন-সি থাকে। এটি মানসিক সমস্যার ঝুঁকি কমাতে প্রধান ভূমিকা পালন করে। ভিটামিন সি একটি এন্টি-অক্সিডেন্ট যা আমাদের ব্রেন সেলকে রক্ষা করে। তাই, আমাদের প্রতিদিন অন্তত একটা করে কমলা খাওয়া উচিত।

শেষ কথা

মস্তিষ্কের সুস্থতার জন্য খাবার খান নিয়মিত, বিশেষ করে উপরোক্ত খাবারগুলো। মানসিক ক্রিয়া ও স্বাস্থ্যের জন্য উপরের খাবারগুলো খুবই প্রয়োজনীয়। এই খাবারগুলো আপনার মস্তিষ্কের সুস্থতা বজায় রাখবে ও আপনাকে মানসিক রোগ থেকে রক্ষা করবে।

You might be interested in …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Our Newsletter

Receive a 30% discount on your first order