কিছু টেকনিক্যাল সমস্যা দেখা দেয়ায় আপনাদের প্রিয় টেক ট্রেইনির সকল কার্য্যক্রম কিছু দিনের জন্যে বন্ধ ছিল। আমরা অত্যন্ত আনন্দের সাথে জানাচ্ছি যে, সফলভাবে সকল সমস্যার সমাধান হয়েছে। তাই, আবার সকল কার্য্যক্রম শুরু করার ঘোষণা দিচ্ছি। আপনারা আছেন তো? না ঝিমিয়ে গেছেন?
গা ঝাড়া দিয়ে উঠুন, আবার শুরু করুন, ঠিক আগের মতো। তবে, এবার কিছু ভাল ভাল লেখা চাই, দেবেন তো? না, যেন-তেনভাবে লিখেই ছেড়ে দেবেন? নিশ্চয়ই না, আপনাদের অনেকেই অনেক ভাল লেখেন, তাই আশা করি ভাল লেখাই পাবো।
তবে, শুধু ভাল লেখা পেলেই হবে না, ওয়েবসাইটটাকে আবার চাঙ্গা করে তুলতে হবে। তাই, আপনাদের কাছে অনুরোধ, প্রতিদিন কমপক্ষে একটা লেখা ফেসবুকে শেয়ার করুন, হোক আপনার নিজের অথবা অন্যের, পুরনো অথবা নতুন।
আরেকটা অনুরোধ আছে, আমাদের ফেসবুক পেজটার লাইক বাড়ানোর জন্যে আপনার প্রোপাইলে থাকা বন্ধুদের ইনভাইট করুন। আশা করি, লিখতে লিখতে আমাদের ওয়েবসাইটটিকে নিশ্চয়ই আপনারা ভালবেসে ফেলেছেন। লাইক বাড়িয়ে সেই ভালবাসার প্রকাশ ঘটান এবার!
আপনারা জানেন, প্রতি মাসে একটা সেরা লেখা বাছাই করে লেখককে পুরস্কৃত করার ঘোষণা দিয়েছিলাম আমরা। যদিও মে মাসের শেষ ৪ দিন আমাদের কার্য্যক্রম বন্ধ থাকার কারণে কোন লেখা প্রকাশ হয়নি, তবু বাকি দিনগুলোতে প্রকাশিত লেখা থেকে একটা লেখাকে সেরা লেখা হিসেবে আমরা বাছাই করেছি। কোন লেখাটি সেরা লেখা হয়েছে আর কোন লেখক পুরস্কার পেয়েছেন জানতে এখানে ক্লিক করুন।
জুন মাস যেহেতু প্রায় শেষের পথে, আমরা জুন মাসের জন্যে পুরস্কার দেবো না। কি মন খারাপ হয়ে গেল! মন খারাপের কিছু নেই, জুলাই মাসের পুরস্কারের জন্যে লেখা বাছাই হবে আজ থেকেই। অর্থাৎ আজ থেকে প্রকাশিত লেখা দিয়েই আমরা জুলাই মাসের সেরা লেখককে নির্বাচিত করবো। সুতরাং, আজ থেকেই ভাল ভাল লেখা লিখুন আর বেশি বেশি শেয়ার করুন এবং শেয়ার করান।
Thanks a lot, Please check my article, username: shahedjakir
Do you pay for English Articles?
We will check your article soon, please be on hold. Yes, we pay for English Articles but don’t accept if those don’t meet our criteria.
What’s the rate for English Article?
300 BDT for up to 2200 words and 500 BDT for upto 3000 words.
টেক ট্রেইনির প্রতি শুভকামনা রইলো। আবার নতুন করে সবকিছু শুরু হবে 🙂 ভেবেই আনন্দ লাগছে। যাইহোক, ধন্যবাদ টেক ট্রেইনি।
আমি আজ আমার প্রথম লেখা রিভিউ এর জন্য সাবমিট করেছি। এপ্রুভ করা হবে কী?
লেখা ভাল হলে আর লেখায় কোন সমস্যা না থাকলে অবশ্যই অ্যাপ্রুব করা হবে। তবে, চেক করার জন্যে আমাদের সময় দিতে হবে এবং আপনাকে অপেক্ষা করতে হবে।
ধন্যবাদ ভাইয়া। আশা করি শিঘ্রই ফিডব্যাক পাবো
আপনার লেখাটি পাবলিশ করা হয়েছে। টপিকটি খুব কমন আর এ জাতীয় বেশ কিছু টপিক আমাদের ওয়েবসাইটে ইতিমধ্যেই পাবলিশ করা হয়েছে। তারপরও, এটি আপনার প্রথম লেখা বলে আমরা প্রয়োজনীয় এডিট করে পাবলিশ করেছি। কোথায় কোথায় এডিট করার প্রয়োজন হয়েছে এবং কেন সে সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে আর পরবর্তী লেখা আরও মান-সন্মত করার টিপস্ পেতে আমাদের যোগাযোগ করুন। আমাদের ফেসবুক পেজের ইনবক্সে গিয়ে আপনার মোবাইল নাম্বার দিয়ে রাখুন, আমাদের একটা সুবিধাজনক সময়ে আপনাকে কল করা হবে।
ভাইয়া , আমি আজকে একটা লেখা সাবমিট করেছি ।ভাই একটু ভুল্গুলা বলবেন ।সামনে আরো লিখতে চাই।
আমাদের ওয়েবসাইটে লেখার জন্যে আপনাকে ধন্যবাদ। আপনার কমেন্টটির দিকে খেয়াল করুন। প্রথমত, ‘ভাইয়া’ শব্দটির পর কমার আগে একটি অপ্রয়োজনীয় স্পেস রয়েছে। দ্বিতীয়ত, ‘আমি আজকে একটা লেখা সাবমিট করেছি’ বাক্যটির পর দাঁড়ির আগে আরেকটি অপ্রয়োজনীয় স্পেস দিয়েছেন অথচ দাঁড়ির পর পরবর্তী বাক্য শুরুর আগে দরকারি স্পেসটি দেননি। আপনি যে লেখাটি লিখেছেন, সেটিতে এই রকম ভূল ছিল প্রত্যেকটি দাঁড়ি ও কমার আগে ও পরে। যেগুলো ঠিক করতে গিয়ে ২ ঘন্টার বেশি সময় ব্যয় হয়েছে, এটি আপনার প্রথম লেখা বলে করেছি।
লেখার প্রত্যেকটি প্যারাগ্রাফ হেডিং থ্রিতে রেখেছিলেন, যেখানে শুধু সাব-হেডিংগুলো হেডিং থ্রিতে রাখার কথা। এছাড়া আপনার প্রত্যেকটা প্যারাগ্রাফের আগে ও পরে হেডিং থ্রি ট্যাগ পড়ে গিয়েছে। এটা বুঝতে সমস্যা হলে, পরবর্তী লেখাগুলোতে হেডিং থ্রি ইউজ করার দরকার নেই, প্রয়োজন অনুসারে আমরা ইউজ করে নেবো।
টপিক অনুযায়ী লেখাটি আরো ছোট হতে পারতো। আপনি ১৩টি টুল নিয়ে না লিখে সেরা ৫টি নিয়ে লিখতে পারতেন। সামনের দিকে কোন লেখা লেখার আগে আমাদের ফেসবুক পেজের ইনবক্সে টপিকটি আমাদের জানাবেন, আমরা আপনাকে টপিক অনুযায়ী ওয়ার্ড সংখ্যা বলে দেবো।
আপনার ইমেজ অপটিমাইজেশন অনেকটাই ঠিক ছিলো। কিন্তু ইমেজগুলো বড় হওয়ায় এবং বেশি ইমেজ থাকায় সবগুলো ফেলে দেয়া হয়েছে। যখন কোন পোস্টে বেশি ইমেজের প্রয়োজন হবে, তখন ইমেজ নেবেন লম্বায়, উপরে নিচে একদম ছোট থেকে। যেমন, হতে পারে ১০০ থেকে ২০০ পিক্সেল।
আচ্ছা অন্যান্য ব্লগের ব্লগার দের মধ্যে না একটা কমিউনিটি টাইপ তৈরি হয়। সবাই অন্যদের পোস্টে কমেন্ট টমেন্ট করে। এখানে আমাদের মধ্যে এখনো সেই প্র্যাক্টিসটা হয়ে উঠে নাই। সর্বোচ্চ কমেন্ট কারীর জন্য কিছু করতে পারেন কি না, সেটা ভাবতে পারেন। অন্তত আর্থিকভাবে না হলেও অন্তত স্বীকৃতিমূলক কিছু করতে পারেন।
আমরাও আশা করেছিলাম যে, লেখকদের নিজেদের মধ্যে একটা কমিউনিটি তৈরি হবে। সবাই সবার বন্ধু হবে, সবাই সবার জন্যে উৎসাহ-উদ্দীপণা যোগাবে। এমনকি, লেখকদের মধ্যে আন্ত-যোগাযোগ তৈরি ও বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক সৃষ্টির জন্যে আমরা ফেসবুকে একটি গ্রুপও খুলে দিয়েছি। তারপরও দেখছি, তারা একত্রিত হচ্ছে না। কেউ কারো লেখা শেয়ার করছে না, কমেন্ট দিচ্ছে না। আপনার পরামর্শটি ভাল কিন্তু এতেও কাজ হবে আমাদের মনে হয় না। আমরা বরং অন্য চিন্তা করছি, আমাদের সাইটে লেখার বাইরে যাদের অ্যাক্টিভিটি থাকবে না, আমরা তাদের লেখা পাবলিশ করবো না। এটা একটু কঠিন হবে জানি কিন্তু এছাড়া উপায় নেই। খেয়াল করে দেখেছেন যে, আমরা প্রতিদিন আগের থেকে অনেক বেশি লেখা পাবলিশ করছি। কিন্তু এখন ভাবছি, লেখা পাবলিশ কমিয়ে দেবো। সুতরাং, আমাদের এত লেখকেরও প্রয়োজন হবে না। কাজেই, যারা লেখার পাশাপাশি শেয়ার করা, কমেন্ট করাসহ অন্যান্য অ্যাক্টিভিটিতে জয়েন করবে, কেবল তাদের লেখাই পাবলিশ হবে।
হ্যাঁ, এটা খেয়াল করেছি যে আগের চেয়ে অনেক বেশি লেখা পাবলিশ হচ্ছে। আর হ্যাঁ, আপনার আইডিয়াটা খারাপ না। আগে বিডিটুডে নামে একটা ব্লগে লিখতাম। ওখানে লেখকদের মধ্যে কমেন্টের প্র্যাক্টিসটা বেশি ছিল। এতে করে অনেককে আসলে না চিনলেও ব্লগের মাধ্যমে চিনতাম। পোস্টের কমেন্টে কথাও হত অনেকের সাথে। আসলে এই কমিউনিটিগুলোই ব্লগকে বাচিয়ে রাখে, ব্লগের প্রসার করে।
স্যার কমেন্ট সিস্টেমটা যদি আরেকটু সহজ করা যায় তাহলে সবাই খুব সহজে কমেন্ট করবে। অনেক সাইটে দেখলাম ফেসবুক কমেন্টের একটা সিস্টেম আছে। সম্ভবত ফেসবুক পেইজের সাথে সাইটের কোন লিংক থাকে। এই সিস্টেমটা বিবেচনায় রাখতে পারেন।