আগেই জিতে যাওয়া আর পরে পস্তানো থেকে পরিত্রাণ পেতে হলে পুরনো ফোন কেনার আগে আপনাকে কিছু বিষয় বিশেষ বিবেচনায় রাখতে হবে। অর্থাৎ, এমন কিছু বিষয় আছে যেগুলো না জেনে নিলে কিংবা যাছাই বাছাই না করলে পুরনো স্মার্টফোন কিনে পস্তাতে হতে পারে। তাই, আগেই বিষয়টি বোঝা প্রয়োজন, পুরনো মোবাইল ফোন সম্পর্কে ভাল করে জানা প্রয়োজন।
করোনার করুণ দশায় বাসা থেকে বের হতে চান না অনেকেই। কিন্তু ফোন কেনা তো আর থেমে থাকবে না, তাই না? ফোন লাভারদের একটা বড় অংশ অনলাইনেই কেনা-কাটা করছেন। হোক সেটা পুরনো বা নতুন ফোন। অনেকে আছেন যারা নতুন ফোনের ক্ষেত্রে সাধ আর সাধ্যের সমন্বয় ঘটাতে পারেন না বলে পুরনো ফোনের দিকে ঝুঁকে থাকেন।
আর্থিকভাবে লাভবান হওয়ার বিষয়টি ছাড়াও এমন কিছু কারণ রয়েছে যেগুলোর জন্যে সবারই পুরনো ফোন কেনা উচিৎ। কারণগুলোর মধ্যে বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য ২টি হলো-
- নানা ব্র্যান্ডের ফোনের সাথে পরিচিত হওয়া যায়।
- নিত্য-নতুন বিভিন্ন ফিচার সম্পর্কে জানা যায়।
কিন্তু পুরনো ফোন কিনতে গিয়ে যেন এমন না হয়ে যায় যে, মূল বিষয়টিতেই ধরা খেতে হয়। অর্থাৎ, আর্থিক দিক থেকে ক্ষতিগ্রস্থ হতে হয়। কারণ, ফোন কেনার পর যদি এমন দেখা যায় যে, ফোনটি নষ্ট বা মেজর কোনও সমস্যা রয়েছে কিংবা সমস্যাটা মাইনর, তবুও সেটা আর্থিক ক্ষতিরই নামান্তর। কারণ, পুরোন ফোন ফেরত দেয়া যায় না।
ফোন কেনার পর যাতে ফেরত দেয়ার কথা মাথায় আনতে না হয়, তাই চলুন কেনার আগে কি কি বিষয় জানতে হবে সেগুলো নিয়ে আলোচনা করা যাক।
পুরনো ফোন কেনার আগে যা যা জানতে হবে
কোথা থেকে পুরনো ফোন কিনতে হবে তা অনেকেই হয়তো জানেন। গুলিস্থান আন্ডার পাস, বায়তুল মোকাররম, হাতিরপুলের ইস্টার্ন প্লাজাসহ ঢাকার বেশ কিছু বিশেষ বাজার ও স্থান রয়েছে যেগুলো থেকে পুরনো ফোন কেনা যায়। আবার, পুরনো ফোন কেনার ৫টি ওয়েবসাইট আছে যেগুলো থেকে ঘরে বসেই কেনা যায়। কিন্তু কেনার আগে কিছু বিষয় অবশ্যই জেনে নিতে হবে যেগুলো নিচে আলোচনা করা হলো।
আইনগত বিষয় বিবেচনা করুন
পুরনো বা সেকেন্ড হ্যান্ড ফোন কেনার আগে যে বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্ব সহকারে দেখা উচিৎ সেটি হচ্ছে এটি ‘চুরি করা ফোন’ কিনা তা যাছাই করা। এটা যাছাই না করে আপনি যদি পুরনো ফোন কেনেন, তবে আপনার আইনগত সমস্যার সন্মুখীন হওয়ার সম্ভাবণা রয়েছে।
কেননা, আপনার কেনা ফোন যদি ‘চোরাই ফোন’ হয় আর সেটির প্রকৃত মালিক যদি থানায় মামলা দিয়ে থাকে, তবে পুলিশ আপনাকে খুঁজে বের করে আইনের আওতায় আনতে পারে। অর্থাৎ, আপনার জেল কিংবা জরিমানা হওয়ার সম্ভাবণা আছে।
আপনি ভাবতে পারেন যে, পুলিশ আমাকে খুঁজে পাবে কি করে! কিন্তু এটি নিশ্চয়ই এখন কারো অজানা নয় যে, বর্তমান প্রযুক্তির যুগে পুলিশের পক্ষে কাউকে খুঁজে বের করা কঠিন কিছু নয়। আর যদি পুলিশ খুঁজে পায়, তবে চুরি না করেও চুরির অপরাধে ফেঁসে যেতে পারেন।
এই অনাকাংখিত ফেঁসে যাওয়া থেকে বেঁচে যাওয়ার জন্যে আপনার প্রথম করণীয় হচ্ছে বিক্রেতার ফোন কেনার রশিদ বা মানি রিসিটটি চেয়ে নেয়া। সম্ভব হলে ফোনের বক্সটাও দেখে নেয়া। এতে একদিকে যেমন ফোনের প্রকৃত মালিক চেনা যাবে, অন্যদিকে ফোনের কেনা দামও দেখে নেয়া যাবে।
তবে, অনেক সময় বিক্রেতার কাছে এসব কাগজ-পত্র নাও থাকতে পারে। কারণ, বেশিরভাগ সময় মানুষ এগুলো সংগ্রহে রাখে না বা রাখলেও এক সময় ফেলে দেয় বা হারিয়ে যায়। সেক্ষেত্রে, পুরনো ফোন কেনার সময় বিক্রেতার কাছ থেকে একটা সাদা কাগজে অল্প কথায় ফোনটির ক্রয়-বিক্রয় সংক্তান্ত কিছু কথা লিখে নেয়া যেতে পারে।
উদাহরণ স্বরূপ কথাগুলো এমন হতে পারে-
আমি মো: রফিকুল আলম, পিতা: সফিকুল আলম, ঠিকানা: ২/১, দক্ষিণ খান, ঢাকা, (মোবাইল নাম্বার- ০১৭১২৭X৯৭X৩) একটি স্যামসাং জে সেভেন ফোন মো: রকিবুল ইসলামের কাছে বিক্রি করলাম।
এরপর, নিচে বিক্রেতার সিগনেচার।
পুরনো ফোন ক্রেতা যদি কখনো আইনগত সমস্যায় পড়েন, তবে এই ডকুমেন্টটি তাকে জটিলতা থেকে রক্ষা করবে।
ফোন সোর্স বিবেচনা করুন
যদি অনলাইন থেকে পুরনো ফোন কেনেন, তবে অবশ্যই ফোনের সোর্সের দিকটি বিবেচনা করুন। যেনতেন কোনও প্লাটফর্ম থেকে ফোন কিনবেন। উপরের ভূমিকাতে পুরনো ফোনের ৫টি বিশ্বস্ত ওয়েবসাইটের লিংকিং করা হয়েছে। এগুলো ছাড়া যদি অন্য কোনও ওয়েবসাইট থেকে ফোন কেনেন, তবে অবশ্যই সেটি ভাল করে যাছাই করে নিন যাতে প্রতারিত হতে না হয়।
যদি কোনও ফেসবুক পেজ বা গ্রুপ থেকে ফোন কেনেন, তবে সেটির ক্ষেত্রে আপনাকে আরো বেশি সচেতন হতে হবে। কারণ, ফেসবুক মার্কেটটা প্রতারণায় ভরে আছে। যে গ্রুপ বা পেজ থেকে ফোন কিনতে যাচ্ছেন, সেটির বিভিন্ন পোস্টের কমেন্টগুলো পড়ে নিন। কারো কোনও নেগেটিভ কমেন্ট আছে কিনা দেখে নিন। অর্থাৎ, সম্ভাব্য সকল উপায়ে যাছাই করে দেখতে হবে কোনও প্রতারণার গন্ধ পাওয়া যাচ্ছে কিনা।
ফোনের দাম কম্পেয়ার করে নিন
পুরনো ফোনের দাম এমনিতেই কম হয়ে থাকে। কিন্তু সেটা কত কম হওয়া উচিৎ তা আপনাকে ফোনের ব্র্যান্ড ও ইউজের সময়ের উপর নির্ভর করে ঠিক করে নিতে হবে। সবচেয়ে ভাল হয় আপনি যদি একই ব্র্যান্ডের ফোনের সাথে কম্পেয়ার করেন। এটা করার জন্যে অনলাইনে ওই ফোনের নাম লিখে সার্চ দিয়ে বিক্রয়.ডট কম কিংবা এ জাতীয় অন্যান্য ওয়েবসাইটে পুরনো ফোনের পোস্টগুলোতে দেয়া দামের সাথে মিলিয়ে দেখেন।
এট একটু ঝামেলার মনে হলেও আপনাকে অবশ্যই দামের ব্যাপারে দারুণ সচেতন হতে হবে। কেননা, এই ফোনটি আপনি দীর্ঘদিন ব্যবহার নাও করতে পারেন। অর্থাৎ, এমন হতে পারে যে কিছুদিন ব্যবহার করে আপনি এটি বিক্রি করে দিতে চাইতে পারেন। তখন কত টাকায় বিক্রি করবেন, কত লাভ বা লস খাবেন, সেটা নির্ভর করবে এখন কত টাকায় কিনছেন।
আপনি যদিও নিজ প্রয়োজনে কিনছেন, কিন্তু পুরনো ফোন কেনা-বেচার ব্যবসা করে আয় করছে অনেকেই। চাইলে আপনিও নিজেও সেদিকে নজর দিতে পারেন।
ওয়ারেন্টি দেখুন
এটা যদিও পুরনো ফোনের ক্ষেত্রে অতোটা প্রযোজ্য নয়, তবু কিছু ক্ষেত্রে বেশ গুরুত্বপূর্ণ। এমন অনেক ফোন লাভারই রয়েছেন, যারা নতুন ফোন কিনে কিছুদিন ব্যবহার করে আবার বিক্রি করে দেন এবং অন্য মডেলের নতুন ফোন কিনে নেন।
আপনি যদি এ ধরণের কারো কাছ থেকে ফোন কেনেন, তবে কিছুকালের জন্যে হলেও ওয়ারেন্টি পেয়ে যেতে পারেন। ধরুন, যার ফোনটি কিনছেন, সে এটি ৭ মাস আগে কিনেছে। তাহলে, এই ফোনটির ওয়ারেন্টি আরো ৫ মাস আছে। কাজেই, আপনি এক্ষেত্রে ভাগ্যবান। সুতরাং, ফোন বিক্রেতাকে ওরায়েন্টির মেয়াদ আছে কিনা জিজ্ঞেশ করে জেনে নিন।
ফোনের হার্ডওয়্যার পরীক্ষা করে নিন
পুরনো ফোনের হার্ডওয়্যার বা যন্ত্রপাতি পরীক্ষা করে নেয়া উচিৎ। দেখে নেয়া দরকার ফোনের স্ট্রাকচার ঠিক আছে কিনা। সেকেন্ড হ্যান্ড ফোনের ক্ষেত্রে সাধারণত ছোট-খাট সমস্যা থাকে এবং সেটা মেনে নিতে হয়। কিন্তু যদি বড় ধরণের স্ট্রাকচারাল বা কাঠামোগত সমস্যা থেকে থাকে, তবে অবশ্যই সেটি মানা যাবে না। অর্থাৎ, ফোনে বড় ধরণের সমস্যা থাকলে না কেনাই উচিৎ।
ডিসপ্লে চেক
সমস্যা আছে কিনা যাছাই করার ক্ষেত্রে প্রথমেই ডিসপ্লে দেখে নিন। কোনও স্ক্যাচ পড়েছে কিনা দেখুন। ছোট-খাট স্ক্যাচ থাকা স্বাভাবিক। আপনাকে দেখতে হবে বড় ধরণের স্ক্যাচ আছে কিনা আর থাকলে সেটি কি শুধু স্ক্রিন প্রটেক্টরে নাকি ভেতরের গ্লাস পর্যন্ত পৌঁছেছে। নাকি ডিসপ্লেটাই ফেটেছে? যদি ডিসপ্লে ফাটা হয়, তবে এই ফোন কেনা যাবে না।
যদি ডিসপ্লে’র উপরের গ্লাস ফাটা হয়, তবে জেনে নিন যে ফোনটি কিনছেন, সেটির ডিসপ্লে আর গ্লাস অ্যাটাস্ট কিনা। যদি অ্যাটাস্ট হয়, তবে এই ফোন কেনা অ্যাভয়েড করুন। কারণ, যে সব ফোনের ডিসপ্লে ও গ্লাস একসঙ্গে থাকে, সেগুলোর গ্লাস নষ্ট হলে ডিসপ্লেসহ পরিবর্তণ করতে হয় যা খাজনার চেয়ে বাজনা বাজায় বেশি।
পোর্টগুলো পরীক্ষা করুন
একটা ফোনে অনেক পোর্ট থাকে। যেমন, চার্জিং পোর্ট, হেডফোন পোর্ট, ইউএসবি পোর্ট, ইত্যাদি। সুতরাং, পুরনো ফোনের ক্ষেত্রে আপনাকে অবশ্যই দেখে নিতে হবে এই পোর্টগুলো লুজ হয়ে গিয়েছে কিনা, নষ্ট হয়ে রয়েছে কিনা।
এটা চেক করার জন্যে হেডফোন লাগিয়ে গান শুনে দেখতে পারেন। ল্যাপটপের সঙ্গে ইউএসবি কানেক্ট করে দেখতে পারেন।
বাটনগুলো চেক করুন
পুরনো ফোনের পাওয়ার বাটন, ভলিউমসহ যাবতীয় অন্যান্য বাটন চেক করে নেয়া জরুরী। পাওয়ার বাটন চেপে ফোন অফ করে দেখুন হয় কিনা, একই সাথে আবার অন করে দেখুন ঠিক মতো কাজ করে কিনা। ভলিউম আপ-ডাউন বাটনও চেক করে নিন। যে কোনও অডিও বা ভিডিও ছেড়ে দেখতে পারেন। কিংবা, কাউকে কল দিয়ে ভলিউম বাড়িয়ে ও কমিয়ে চেক করে নিন।
কী-বোর্ডের কীগুলোকে যদিও বাটন বলা হয় না, তবু সেগুলো চেক করারও জরুরী। কারণ, একটা কী যদি ঠিক মতো কাজ না করে, তবে ফোন ব্যবহার আপনার অনেক সমস্যা তৈরি হবে না। ঠিক মতো কল দিতে পারবেন না, নাম লিখে নাম্বার সার্চ করতে পারবেন না, মেসেজ লেখার ক্ষেত্রেও সমস্যা হতে পারে।
সফটওয়্যার ও অন্যান্য ফাংশন চেক করুন
একটা স্মার্টফোনের হার্ডওয়্যার যেমন গুরুত্বপূর্ণ, তেমনই সফটওয়্যারও অত্যন্ত বিবেচনার বিষয়। কাজেই, আপনাকে ফোনের ফাংশন ও অন্যান্য সফটওয়্যার রিলেটেড বিষয়গুলো চেক করে নিতে হবে। গুরুত্বপূর্ণ এই ফাংশনগুলো সম্পর্কে নিচে আলোচনা করা হলো-
২ জিবি র্যামের নিচের ফোন নয়
আপনি যে পুরনো ফোনটি কিনতে যাচ্ছেন, সেটির র্যাম যেন কিছুতেই ২ জিবির কম না হয়। অর্থাৎ, ২ জিবির কম হলে কিনবেন না। কারণ, র্যাম যত কম হবে, ফোন তত স্লো হবে। আর ২ জিবি র্যাম হচ্ছে মোটামুটি স্ট্যান্ডার্ড। আপনি যদি এর বেশি পেয়ে যান, তাহলে তো আরো ভাল। সাধারণত, বর্তমান সময়ের বেশিরভাগ ফোনেই কমপক্ষে ৩ জিবি র্যাম থাকে।
প্রসেসরের স্পিড দেখে নিন
একটা ফোনের জন্যে র্যাম যেমন স্পিডের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ, তেমনই স্পিড ও টোটাল পারফরমান্সের জন্যে প্রসেসরের স্পিড আরো গুরুত্বপূর্ণ। কাজেই, প্রসেসর দেখে ফোন কিনুন। ইনটেল, কোয়ালকম স্ন্যাপড্রাগন প্রসেসরের দিকে নজর দিন। কিছুতেই মিডিয়াটেক প্রসেসরের ফোন কিনবেন। এটি অনেক পুরনো। যারফলে, পারফরমেন্স খুবই খারাপ হয়।
ক্যামেরার কোয়ালিটি দেখুন
যে ফোনটি কিনছেন, সেটির ক্যামেরা চেক করে নিন। বিক্রেতার সামনে দাঁড়িয়েই ২/১টি ছবি তুলে নিন। বিক্রেতার ছবি তোলাই বেটার। এতে আপনার ছবিও তোলা হলো আবার বিক্রেতাকে পেয়ে গেলেন যা পরবর্তীতে কোনও আইনগত জটিলতায় পড়লে কাজে লাগতে পারে।
ফোনের ব্যাটারি চেক করুন
পুরনো ফোনের বেলায় ব্যাটারি অনেক বড় ব্যাপার। কারণ, বেশিরভাগ পুরনো ফোনের ক্ষেত্রেই ব্যাটারি সমস্যা পাওয়া যায়। কাজেই, ব্যাটারি খুলে দেখে নিন সেটি ফুলে আছে কিনা কিংবা অন্য ধরণের কোনও সমস্যা রয়েছে। সবচেয়ে ভাল হয় যদি চার্জে দিয়ে দেখে নিতে পারেন যে ঠিক মতো চার্জ হয় কিনা। সেই সাথে দেখে নিন ব্যাটারিটা আসল কিনা, নাকি নষ্ট হওয়ার পর সাধারণ নন-ব্র্যান্ডের ব্যাটারি কিনে লাগানো হয়েছে।
নেটওয়ার্ক চেক করুন
আপনার নিজের সিম কার্ড ঢুকিয়ে দেখে নিন সেটি ঠিক মতো নেটওয়ার্ক পায় কিনা। আমাদের দেশে যদিও বেশিরভাগ নেটওয়ার্ক সমস্যা হয় অপারেটর কোম্পানীর দিক থেকে। কিন্তু কিছু কিছু ফোনের ক্ষেত্রে দেখা যায় ইন্টারনাল নেটওয়ার্ক সমস্যা হয়। কাজেই, এটা দেখে নেয়া দরকার। কারণ, এই নেটওয়ার্ক শুধু কলের ক্ষেত্রে নয়, ইন্টারনেটের ক্ষেত্রেও সমস্যা তৈরি করে। তবে, মোবাইলের দূর্বল নেটওয়ার্কে ইন্টারনেটের স্পিড বাড়ানোর উপায় আছে যেগুলো খুবই কার্যকর।
অন্যান্য চেক লিস্ট
পুরনো ফোন কেনার আগে উপরোক্ত বিষয়গুলো ছাড়াও আরো কিছু বিষয় রয়েছে যেগুলো চেক করে নেয়া উচিৎ। নিচে একটা চেক লিস্ট দেয়া হলো-
- বিল্ট-ইন ফিচারগুলো কাজ করে কিনা দেখে নিন।
- থার্ড পার্টি অ্যাপ, বিশেষ করে ফেসবুক, প্লে-স্টোর ঠিক মতো কাজ করে কিনা দেখে নিন।
- সাউন্ড চেক করে নিন।
- অডিও-ভিডিও চেক করে নিন।
- ইমেজসহ অন্যান্য মিডিয়া ফাইল চেক করে নিন।
- সেটিংস্ এ গিয়ে কিছু কিছু পরিবর্তণ করে দেখে নিন কাজ করে কিনা।
- ইন্টারনেট ব্রাউজিং চেক করে নিন।
- প্লে স্টোর কিংবা অন্যান্য অ্যাপ-স্টোর থেকে ডাউনলোডিং অপশন চেক করে নিন।
আপনি নিশ্চয়ই জানেন পুরনো ফোন কেউ ফেলে দেয় না। কারণ, এগুলো অনেক ক্ষেত্রেই খাঁটি সোনা। তাই, কিছু কিছু ব্র্যান্ড কোম্পানী তাদের পুরনো ফোন থেকে বাছাই করা কিছু ফোন আবার নতুন করে মার্কেটে নিয়ে আসেন। আপনি নিশ্চয়ই এসব ফোন কিনে ঠকবেন না।
পুরনো স্মার্টফোন কিনে অনেকেই ঠকে যায়। তাদের সহায়তায় খুব সুন্দর একটা লেখা লিখেছেন, ধন্যবাদ।