৫০০০ টাকার বেশি অর্ডার করলেই ফ্রি ডেলিভারি।
English
You can use WPML or Polylang and their language switchers in this area.
0 $0.00

Cart

No products in the cart.

যে ৭টি কারণে টুইটার অ্যাকাউন্ট সাসপেন্ড করা হয়

টুইটার অ্যাকাউন্ট সাসপেন্ড

প্রযুক্তি প্রেমী হিসেবে প্রায় সব মানুষই টুইটার ব্যবহার করে থাকেন। কিন্তু অনেকের ক্ষেত্রেই অল্প সময়ের মাঝেই টুইটার অ্যাকাউন্ট সাসপেন্ড হয়ে যায়। এটা বেশির ভাগ সময়েই ফ্রিল্যান্সারদের ক্ষেত্রে ঘটে থাকে।

ফ্রিল্যান্স মার্কেটে যারা কাজ করেন, তাদেরকে অনেক সময়েই ক্লায়েন্টের জন্যে একাধিক টুইটার অ্যাকাউন্ট খুলতে হয়। অনেকে আবার অনেক অ্যাকাউন্ট খুলে বিক্রিও করে থাকেন। আবার যারা ব্লগিং করেন, তাদেরও টুইটার অ্যাকাউন্টের প্রয়োজন হয় প্রমোশনের জন্যে। আসলে, টুইটার থেকে আয় করার অনেক উপায় রয়েছে। যার ফলে, ফেসবুকের মতো এই সোশ্যাল প্লাটফর্মেও এখন সবাই অ্যাকাউন্ট খুলে থাকেন।

কিন্তু সমস্যা হচ্ছে অ্যাকাউন্ট টিকিয়ে রাখা। অনেকেই অ্যাকাউন্ট খোলেন ঠিকই, কিন্তু সেটিকে টিকিয়ে রাখতে পারেন না। বার বার অ্যাকাউন্ট সাসপেন্ড হয়ে যায়। আজ আমরা জানবো টুইটারে অ্যাকাউন্ট ব্যানড্ বা সাসপেন্ড হওয়ার কারণগুলো।

টুইটার অ্যাকাউন্ট সাসপেন্ড হয় যেসব কারণে

টুইটার অ্যাকাউন্ট সাসপেন্ড

একই আইপি থেকে একাধিক অ্যাকাউন্ট খোলা

ক্লায়েন্টের জন্যে হোক আর নিজের জন্যে হোক, কিংবা হোক বিক্রির জন্যে, অনেকেই একই আইপি থেকে একের অধিক অ্যাকাউন্ট খুলে থাকেন। এটা শুধু টুইটার নয়, যে কোনও সোশ্যাল মিডিয়া ওয়েবসাইটই ডিটেক্ট করতে পারে।

কারণ, প্রতিটি কম্পিউটার বা স্মার্টফোনেরই একটি আইপি অ্যাড্রেস থাকে যা তার নেটওয়ার্ক প্রোভাইডার দ্বারা নির্ধারিত হয়। এই একই আইপি থেকে কেউ যদি একের পর এক অ্যাকাউন্ট খুলতে থাকে, তবে সে তো সাসপেন্ড হবেই।

নোট: আপনার যদি একাধিক অ্যাকাউন্ট খোলার প্রয়োজন হয়, তবে বিভিন্ন কম্পিউটার থেকে খুলুন। বিশেষ করে, আলাদা নেট কানেকশন আছে, এমন কম্পিউটার বা স্মার্টফোন থেকে খুলুন।

অ্যাকাউন্ট খুলেই অনেককে ফলো করা

উত্তেজনার কারণে হোক আর না জানার কারণে হোক, অনেকেই আছেন যারা অ্যাকাউন্ট খুলেই এক সাথে অনেক লোককে ফলো করতে শুরু করেন। আসলে অ্যাকাউন্ট খোলার পর যখন একজন সাধারণ মানুষ তার পছন্দের সব অসাধারণ মানুষদের দেখতে থাকে, তখনই একজন করে সবাইকেই ফলো করতে শুরু করে। এটা মোটেই ন্যাচারাল নয়, যারফলে অ্যাকাউন্ট সাসপেন্ড হয়।

নোট: অ্যাকাউন্ট খোলার সাথে সাথে অনেক বেশি মানুষকে ফলো করবেন না। আপনার হাতে নিশ্চয়ই সময় থাকবে পরিচিত কিংবা কোন পছন্দের সেলিব্রেটিকে ফলো করার।

অল্প সময়ে অনেক অ্যাকাউন্ট ফলো করা

এটা হচ্ছে অন্যতম প্রধান কারণ, অনেকেই অ্যাকাউন্ট খুলতে না খুলতেই একের পর এক অন্যদের ফলো করতে থাকেন। টুইটারের অটোমেটেড সিস্টেম এটাকে আন-ইউজুয়াল অ্যাক্টিভিটি হিসেবে ডিটেক্ট করে এবং অ্যাকাউন্ট সাসপেন্ড করে দেয়।

নোট: একদিনে ১০/১২ জনের বেশি লোককে ফলো না করাই ভাল।

বেশি ফলোয়িং, কম ফলোয়ার

অনেকের অ্যাকাউন্টের ক্ষেত্রেই দেখা যায় যে সে বহু মানুষকে ফলো করেছে কিন্তু তাকে ফলো করেছে খুবই কম লোক। যেমন, তার অ্যাকাউন্ট থেকে হয়তো ১ হাজার অ্যাকাউন্টকে ফলো করা হয়েছে। অথচ তার অ্যাকাউন্টকে ফলো করেছে মাত্র ৫০ জন লোক বা তারও কম। এ ধরণের অ্যাকাউন্টও সাসপেন্ড হয়ে থাকে।

নোট: বেশি লোককে ফলো করবেন না। আর শুরুর দিকে সেলিব্রেটিদের ফলো না করে সাধারণ মানুষকে ফলো করুন। কারণ, সেলিব্রেটিরা আপনাকে ফলো ব্যাক করবে না, সাধারণ মানুষ করবে।

অনেক টুইটস্ ফেভারিটে রাখা

ভাল লাগার জন্যে হোক, আর নিজেকে মেনশনের কারণে হোক অনেকেই অন্যদের টুইটস্ ফেভারিটে রাখেন। এটা সমস্যা নয়, সমস্যা হচ্ছে যখন অল্প সময়ে অনেক টুইটস্ ফেভারিট করা হয়। এটাও একটা আন-ন্যাচারাল অ্যাক্টিভিটি যা ডিটেক্ট করার পর টুইটার ওই অ্যাকাউন্টি স্বল্প সময়ের জন্যে সাসপেন্ড করে রাখে।

নোট: অনেকের টুইটই আপনার ভাল লাগতে পারে। তাই বলে একটানা ফেভারিট দিতে থাকা উচিৎ নয়।

অনেক বেশি টুইট করা

অনেকেই প্রতিদিনই টুইট করে থাকে, যদিও প্রতিদিন কিছু না কিছু টুইট করা সমস্যা নয়। সমস্যা হয় তখন যখন এক দিনেই অনেক টুইট করা হয়। যে অ্যাকাউন্ট থেকে এ রকম প্রচুর টুইট হতে থাকে, সে অ্যাকাউন্টও সাসপেন্ড হয়ে যায়।

নোট: দিনে ২/৩ টার বেশি টুইট না করাই ভাল।

টুইটারের রুলস্ ফলো না করা

অনেকেই আছেন যারা কোন সাইটই ব্যবহারের সময় সেই সাইটের টার্মস এন্ড কন্ডিশনগুলো পড়েন না। যারফলে, তার দ্বারা প্রায়ই কোন না কোন রুল ব্রেক হয়ে যায়, ফলে অ্যাকাউন্ট সাসপেন্ড হয়। টুইটারের অনেক গুরুত্বপূর্ণ টার্মস্ অব সার্ভিস রয়েছে যেগুলো আপনাকে অবশ্যই মানতে হবে যদি টুইটার অ্যাকাউন্ট অ্যাক্টিভ রাখতে চান। টুইটার টার্মস্ অব সার্ভিস এর কয়েকটি নিম্নরূপ-

কাউকে হ্যারাস করে কোন টুইট করা যাবে না।

পর্ণ জাতীয় কোন কিছু টুইট করা যাবে না।

কোন রাস্ট্র বিরোধী লেখা দিয়ে টুইট করা যাবে না।

কোন সেলিব্রেটিকে খাটো করে কোন রকম টুইট করা যাবে না।

ট্রেন্ডস্ বা পপুলার হ্যাশ ট্যাগের মিসইউজ করা যাবে না।

নোট: বুঝতেই পারছেন, আপনাকে উপরের রুলগুলো মেনে চলতে হবে।

শেষ কথা

টুইটার অ্যাকাউন্ট সাসপেন্ড হওয়ার কারণগুলো জেনেছেন। এবার টুইটার ব্যবহারে সচেতন হোন, উপরোক্ত বিষয়গুলো বজায় রেখে টুইটার ব্যবহার করুন এবং আপনার অ্যাকাউন্টকে নিরাপদ রাখুন।

You might be interested in …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Our Newsletter

Receive a 30% discount on your first order