৫০০০ টাকার বেশি অর্ডার করলেই ফ্রি ডেলিভারি।
English
You can use WPML or Polylang and their language switchers in this area.
0 $0.00

Cart

No products in the cart.

গ্রাফিক্স কার্ড কেনার আগে যে ৫টি বিষয় বিবেচনায় রাখতে হবে

গ্রাফিক্স কার্ড কেনার আগে

গ্রাফিক্স কার্ড কেনার আগে বেশ কিছু বিষয় খেয়াল রাখা জরুরি। ভাল মানের গেম কিংবা হাই লেভেলের ভিডিও এডিটিংয়ের জন্য গ্রাফিক্স কার্ডের বিকল্প নেই। যদিও সিপিউতে ইন্টিগ্রেটেড গ্রাফিক্স কার্ড থাকে, যা দিয়ে স্বাভাবিক গ্রাফিক্স এবং গেম খেলা সম্ভব।

আপনি যদি প্রফেশনাল ভিডিও এডিটর, গেমার কিংবা গ্রাফিক্স ডিজাইনার হয়ে থাকেন, তাহলে ডেডিকেটেড গ্রাফিক্স কার্ড লাগবেই। এই ডেডিকেটেড গ্রাফিক্স কার্ড কেনাটা বেশ ঝামেলাপূর্ণ কাজ। তাই, প্রথমে জেনে নিন গ্রাফিক্স কার্ড কি এবং গ্রাফিক্স কার্ড কিভাবে কাজ করে? তাহলে, আপনার গ্রাফিক্স কার্ড নিয়ে আপনার কনসেপ্ট ক্লিয়ার হয়ে যাবে এবং আপনি বুঝতে পারবেন গ্রাফিক্স কার্ড কিনতে যাওয়াও আগে কি কি বিবেচনা করবেন।

আপনার পিসির কনফিগারেশন অনুযায়ী যদি সঠিক গ্রাফিক্স কার্ড নির্বাচন না করেন, তাহলে আপনার পুরো টাকাটাই জলে যাবে। তাই, আপনি সঠিকটি মডেল বা ব্রান্ডটি কিনছেন কিনা তা নিশ্চিত করতে, বেশ কিছু বিষয় মাথায় রাখতে হবে। গ্রাফিক্স কার্ড ক্রয়ের আগে নিচের পাঁচটি বিষয় বিবেচনা করা উচিত।

গ্রাফিক্স কার্ড কেনার আগে ৫টি বিষয়

গ্রাফিক্স কার্ড কেনার আগে

১. মূল্য ও কম্পাবিলিটি

কুঁড়েঘরে এসি লাগানো আর লো কনফিগারেশনের কম্পিউটারে দামি গ্রাফিক্স কার্ড লাগানো একই কথা। এই গ্রাফিক্স কার্ড আপনার টাকা নষ্ট করা ছাড়া আর কোন কাজে লাগবে না। আপনার প্রসেসর যদি পেন্টিয়াম বা সেলেরনের হয়, তাহলে বেশি দামি গ্রাফিক্স কার্ড না লাগানোই ভাল। প্রয়োজনে আর কিছু টাকা জমিয়ে নতুন সিপিউ বিল্ড করুন।

কম্পিউটার অভিজ্ঞরা বলে, “আপনার পিসির মোট বাজেটের ৩০% টাকা গ্রাফিক্স কার্ডের জন্য বরাদ্দ রাখুন।” এছাড়া, গ্রাফিক্স কার্ড লাগানোর পর আপনার পাওয়ার সাপ্লাই আপগ্রেড করুন।

তাই, কত দামী গ্রাফিক্স কার্ড কিনবেন তা নির্ধারণ করার পূর্বে আপনার পিসির কম্পাবিলিটি দেখুন। আর নিচের বিষয়গুলো মাথায় রাখুন। যথা:

  • PCIe স্লটটির কম্পাবিলিটি চেক করুন।
  • মনিটর কোয়ালিটি চেক করুন। সাধারণ মনিটরে এবং কম রিফ্রেশ রেটের মনিটরে সঠিক পারফরমেন্স পাবেন না।
  • পাওয়ার সাপ্লাইটির কম্পাবিলিটি চেক করুন।

২. স্পেস ও কুলিং

বাজারে বর্তমানে AMD ও Nvidia এই দুই কোম্পানি গ্রাফিক্স কার্ড তৈরি করে থাকে। তাদের কম্পোনেন্টগুলো অন্যান্য কোম্পানিরাও ব্যবহার করে। এখন আপনি যে ব্রান্ড বা মডেলের গ্রাফিক্স কার্ড কিনুন না কেন, সেটার কুলিং সিস্টেমটা দেখুন। গ্রাফিক্স কার্ডের সাথে অতিরিক্ত ফ্যান আছে কিনা দেখুন।

এছাড়া, স্পেসের বিষয়টি খেয়াল রাখুন। স্পেস বলতে আপনার সিপিউর কেসিংকে বোঝানো হচ্ছে। যেহেতু কুলিং ফ্যান ব্যবহারসহ অনেক কারণে বর্তমান গ্রাফিক্স কার্ডগুলো বড় সাইজের হয়, তাই অনেক সময় ছোট কেসিংয়ে তা ফিট হয় না। সে-ক্ষেত্রে যদি একান্তই বড় সাইজের গ্রাফিক্স কার্ড কিনতে হয়, তাহলে কেসিং পরিবর্তন করার টাকা রাখুন।

৩. র‌্যাম

আপনি হয়তো জানেন যে, র‌্যাম কি আর এটি কিভাবে কাজ করে। এবার জানুন যে, গ্রাফিক্স কার্ড কেনার পূর্বে অবশ্যই র‌্যামের দিকটি খেয়াল রাখতে হবে। কারণ, গ্রাফিক্স কার্ডের স্ট্যাটিস্টিকস বোঝাটা আসলেই কঠিন। তবে, গ্রাফিক্স কার্ডের জন্যে অন্যতম বিবেচ্য বিষয় হচ্ছে র‌্যাম। কারণ, আপনার র‌্যাম কত আছে তার উপর নির্ভর করছে গ্রাফিক্স কার্ড কত ভাল কাজ করবে।

আবার, র‌্যামের পরিমাণ যেমন গুরুত্বপূর্ণ, তেমনি র‌্যামের ধরণও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। যেমন, ডিডিআর৩ র‌্যাম হাই পারফর্মেন্স গ্রাফিক্স কার্ডের জন্যে অত্যন্ত ভাল। কিন্তু টেকনোলোজির পরিবর্তণে বর্তমানে জিডিডিআর৫ র‌্যামের সাথে গ্রাফিক্স কার্ডগুলো ভাল পারফর্মেন্স দেখিয়ে থাকে। যাইহোক, আপনার সিস্টেম র‌্যাম যদি ৮ জিবি হয়, তাহলে পারফেক্ট পারফরমেন্সের জন্য ৪ জিবির গ্রাফিক্স কার্ড হলে ভাল হয়।

৪. ব্যান্ডউইথ

গ্রাফিক্স কার্ডের আসল মজা দেয় ব্যান্ডউইথ। ডিডিআর বেশি হলে ব্যান্ডউইথ বেশি পাবেন। DDR5 এর গ্রাফিক্স কার্ড কেনার চেষ্টা করা যা আমি উপরেই উল্লেখ করেছি। মনে রাখবেন এই GDDR5 এর সাথে আপনার সিস্টেম র‌্যামের DDR এর কোন সম্পর্ক নেই।

ব্যান্ডউইথ হল জিপিইউ কত দ্রুত মেমরির অ্যাক্সেস করতে পারে। বেশি ব্যান্ডউইথ থাকা গ্রাফিক্স কার্ড দ্রুত শেডার কোরগুলোতে ডেটা সরবরাহ করতে পারে। যার ফলে গেম এবং ভিডিও স্পষ্ট ও স্মুথভাবে চলতে পারে। তাই, গ্রাফিক্স কার্ডের ব্যান্ডইউথ বুঝতে নিচের দুটি দিক দেখুন। যথা:

  • ক্লক স্পিড
  • বাস উইডথ

৫. শেডার কোর

ব্যান্ডউইথ এর উপর শেডার কোরের অনেক প্রভাব রয়েছে। Nvidia তে এটাকে CUDA cores বলা হয় এবং AMD তে এটাকে stream processors বলা হয়। শেডার কোরগুলো থ্রিডি অবজেক্টকে প্রাণবন্ত করে তোলে। গ্রাফিক্স কার্ডে যত বেশি শেডার কোর থাকবে এটা তত দ্রুত এবং স্পষ্ট ইমেজ রেন্ডারিং করবে।

শেষ কথা

এই ছিল গ্রাফিক্স কার্ড কেনার আগে করণীয় ৫টি কাজ। সর্বোপরি উপরে উল্লেখিত বিষয়গুলো খেয়াল রাখতে হবে। এছাড়া, ট্রানজিস্টার সংখ্যা, আউটপুট, রিফ্রেশ রেট, ডিরেক্ট এক্সসহ অন্যান্য সফটওয়্যার সাপোর্ট করে কিনা দেখতে হবে। আশা করি, আপনি একটি ভাল মানের গ্রাফিক্স কার্ড কেনার জন্যে প্রস্তুত হয়েছেন।

You might be interested in …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Our Newsletter

Receive a 30% discount on your first order